‘প্রযুক্তির অপপ্রয়োগের কারণে যেন প্রকৃতি ও পরিবেশ ক্ষুণ্ণ না হয়’

২১ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১৬:০২  

রাজধানীর প্রশাসনিক এলাকায় অবস্থিত জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরে দুই দিনে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক প্রদর্শনী পরিদর্শন করলেন ৬৫ জন সরকারি কর্মকর্তা। আজ বৃহস্পতিবার এবং গত সোমবারে তারা অভিজ্ঞতা নেয়ার পাশাপশি যোগ দিয়েছেন বিশেষ সেমিনারেও।

সেমিনারে তাদের উদ্দেশ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রামে গ্রামে অশিক্ষিত, অজ্ঞ ও অসচেতন মানুষের কাছে প্রযুক্তিকে সহজভাবে ব্যবহারযোগ্য করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের মহাপরিচালক মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী। এসময় তিনি প্রযুক্তির অপপ্রয়োগের কারণে যেন প্রকৃতি ও পরিবেশ ক্ষুণ্ণ না হয় সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

তিনি আরো বলেছেন, “শুধু মেধা, দক্ষতা কিংবা জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চা থাকলেই হবে না। এর সঙ্গে অপরিহার্যভাবে প্রয়োজন সততা, নিষ্ঠা ও নৈতিকতা। সততার অভাবে অনেক বড় বড় প্রযুক্তি অকার্যকর হয়েছে, কিংবা বিফলে গিয়েছে। সরকারি কর্মচারী হিসেবে যে যে পদে আছেন, তাকে তার মেধা দিয়ে প্রতিষ্ঠানকে উন্নত এবং সেবার মানকে সহজ করে দিতে হবে। অনেক মেধাবী তরুণ উপযুক্ত চাকুরী না পেয়ে সাব রেজিস্ট্রার, এমনকি প্রকৌশলী হয়েও অপ্রকৌশলী পেশায় প্রবেশ করছে। মেধার স্বীকৃতি দিতে হবে এবং মেধাবীকে উপযুক্ত মর্যাদা দিতে হবে। চাকুরীর প্রারম্ভে অর্থলোভ ঢুকে গেলে তা’ বাকি জীবন নিজেকে অজগরের মতো গিলে খাবে। অর্থ লোভ থেকে নিজেকে মুক্ত রেখে উদ্ভাবনী চেতনা ও নৈতিক শক্তি দিয়ে জনগণের কাছে সেবার মান পৌঁছাতে হবে। সরকারি দপ্তরে প্রযুক্তির যথাযথ প্রয়োগ হলে দালাল, প্রতারক বা মধ্যস্বত্বভোগীদের দের উৎপাত কমবে। শুধু নিজের বেতন ভাতা সুযোগ সুবিধা নিয়ে আত্মকেন্দ্রিক হলে কখনোই মানবিক অফিসার হওয়া যাবে না, দায়িত্ব সচেতন ও কর্তব্য পরায়ন হতে হবে।”